আমাদের কথা

সব পুজোর শুরুতেই একটা গল্প থাকে। আমা দের  ক্ষেত্রেও সেটা ব্যতিক্রম নয়! পুজোর সুতো বাঁধা শুরু হয়েছিল হরামাভু  আগারা  লেকের কাছে একটা  ছোট্ট রেস্টুরেন্টে আড্ডায়  বসে আমরা কয়েকজন মিলে । রবিবারের বিকেল গুলোতে প্ল্যানিং যত না হতো, তার থেকে অন্য আলোচনা, চা, কফির আর সিগারেট  নিয়ে সময় বরাদ্দ হতো বেশি।  আসলে আড্ডার পরে শেষ পর্যন্ত একটা জিনিসই স্থির হতো, সেটা হচ্ছে পরবর্তী আড্ডার তারিখ। চা , কফির  ব্যাপারটা খুব ইম্পর্টেন্ট , কারণ আমাদের  আড্ডার লোকজনের সংখ্যা বেড়ে যেত বিকেল থেকে সন্ধে গড়ানোর সঙ্গে সং আর কথাবার্তার ডেসিবেল প্রায় একশো পেরিয়েই যেত সময় সময়.! রেস্টুরেন্টে  কাউন্টারে বসা ছেলেটা বেশ সন্দেহজনক চোখে আমাদের দেখতে থাকতো!এরা  করা, কথা থেকে এসেছে, এতো হৈ  চৈ  কিসের, এগুলো বোঝার প্রানপণ  চেষ্টা করতো।  তাই  আবহাওয়া যাতে আমাদের কন্ট্রোলে থাকে, তার জন্যে আমরা মাঝে মাঝে দশ বারোটা  চা বা কফির অর্ডার দিতাম।.. একঘন্টা কেটে গেলে আবার  ওই একই অর্ডার রিপিট , যাতে বেমক্কা উঠিয়ে না দেয় ! এর মধ্যে বিশেষ ঘটনাগুলো হলো প্যাটেল দার  হাত ভাঙা, দেবোত্তম এর  পা ফ্র্যাকচার।  তাতে যদিও রবিবারের আড্ডার কোনও ব্যাঘাত  ঘটে নি ! অগাস্ট মাসে দেখা গেলো পুজো করতেই হবে , না হলে আর পারা  যাচ্ছে না।  এদিকে হাতে সময় বড়  কম।  পুজোর প্রাথমিক প্ল্যানিং শুরু হলো  , ম্যান -অভিমানের ধাক্কা কাটিয়ে ঘোষণা করে দেওয়া হলো “পুজো হচ্ছে “..